বাংলা | English    



দুই সপ্তাহের জন্য নিশ্চিন্তে থাকতে পারব



সকিনা খাতুন বললেন, আমি জন্মসূত্রেই জামালপুর সদরের শ্রীপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা। স্বামী-সন্তান নিয়ে ছোট্ট কুঁড়েঘরে আমার বসবাস। স্বামী ভ্যানচালক। প্রতিদিন খুব ভোরে আমার স্বামী রোজগারের জন্য বেরিয়ে পড়ত। সারাদিন খেটেখুটে আয় রোজগার করে যা আনত, তা দিয়ে আমার পুরো খাবারের খরচ উঠে যেত। নিত্য দিনের টানাপোড়েনের সংসার। তবুও আয়-রোজগার করলে ভালোই থাকা যায়।

কিন্তু করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) মহামারি আকার ধারণ করার পর থেকে আমাদের ঘরে বসেই দিন কাটছে। আয়-রোজগার নেই। টুকটাক চাল-ডাল-তেল-নুন যা ঘরে ছিল, তাও শেষের পথে। কষ্ট হলেও ঘর থেকে বের হতে মন চায় না। করোনা সংক্রমণের হাত থেকে বাঁচার জন্য এ ছাড়া আর উপায় কী?

সংসারের উপার্জনক্ষম ব্যক্তি বসে থাকায় রোজগার একদম বন্ধ। আপাতত ঋণ করে খুব কষ্টে চলছি। কেউবা কিছু দিচ্ছে, কেউবা দিচ্ছে না। প্রথম কিছুদিন ঠিকভাবে চলতে পারলেও এখন দিনে একবেলা খাই, একবেলা উপোস করি।

ব্র্যাক আর গ্রামীণফোন থেকে দুই সপ্তাহের খাবারের খরচ বাবদ ১ হাজার ৫শ টাকা পেয়েছি। টাকাটা পুরোটাই স্বামীর হাতে তুলে দেব, যাতে সে দুই সপ্তাহের খাবার কিনে আনতে পারে। এ সহায়তা পেয়ে আপাতত দুই সপ্তাহের জন্য নিশ্চিন্তে থাকতে পারব।

Copyright ©BRAC 2020.