Skip to main content
BRAC

BRAC

সম্মানিত অতিথিবৃন্দ, ভদ্রমহিলা ও ভদ্রমহোদয়গণ,
কয়েক মুহূর্ত হলো আমাদের প্রধান অতিথি এই প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের নাম রাখলেন সেন্টার ফর ডেভলপমেন্ট ম্যানেজমেন্ট বা উন্নয়ন ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র। এই সুযোগে ব্র্যাকের দৃষ্টিকোন থেকে ‘উন্নয়ন' ও 'ব্যবস্থাপনা' শব্দ দুটোকে আমি সংক্ষেপে বিশ্লেষণ করতে চাই।

'উন্নয়ন' হচ্ছে জনগণের কর্মক্ষমতার ফসল। মূলতঃ এটি একটি গণমুখী পদ্ধতি। নিজেদের অর্থনৈতিক, সামাজিক ও রাজনৈতিক অবস্থার পরিবর্তনের লক্ষ্যে নারী ও পুরুষ যখন একক ও সম্মিলিতভাবে কাজ করেন কেবল তখনই এই উন্নয়ন সংঘটিত হয়। আমরা যে পরিবর্তন চাই তা অবশ্যই অর্থনৈতিকভাবে লাভজনক, রাজনৈতিকভাবে ন্যায়প্রদ, সামাজিকভাবে সৎ এবং পরিবেশগতভাবে সুপ্রসু হতে হবে।

মূলধন, সম্পদ এবং অবকাঠামোগত সুবিধা উন্নয়নের অবশ্যই প্রয়োজনীয় কিছু এগুলো হচ্ছে উন্নয়নের গৌণশর্ত। অভিভাবক যতক্ষণ পর্যন্ত না শিশুদের স্কুলে পাঠান, শিক্ষক যতক্ষণ পাঠদান না করেন এবং ছাত্র পাঠ গ্রহণ না করে ততক্ষণ স্কুল ভবন নির্মাণের কোনো সার্থকতাই প্রতিপন্ন হয়না। গ্রামের রাস্তাটি চেয়ারম্যানের বাড়িতে গিয়ে শেষ হয়েছে, সেই রাস্তা চেয়ারম্যানের জামাইকে শ্বশুরবাড়ি যেতে সহায়তা করে মাত্র, যদি না এই রাস্তা কোনো বাজারের সঙ্গে সংযোগ ঘটায়, যেখানে উৎপাদিত সামগ্রীর যথার্থ মূল্য পাওয়ার জন্য কৃষকরা যাতায়াত করতে পারেন যদি না এই রাস্তা স্বাস্থ্যকেন্দ্র কিংবা কৃষিসম্প্রসারণ কেন্দ্রের সঙ্গে সংযোগ ঘটিয়ে গ্রামীণ জনগণকে স্ব স্ব ক্ষেত্রে সেবা পেতে সহায়তা করে–তবে এই রাস্তা নির্মাণ কখনই উন্নয়নের পর্যায়ে পড়েনা।

প্রশ্ন উঠতে পারে, উন্নয়ন মানেই যদি জনগণকৃত ব্যক্তিক ও সামাজিক পরিবর্তনের একগুচ্ছ ফসল– অর্থাৎ দৃষ্টিভঙ্গি, মূল্যবোধ, দক্ষতা, ধ্যান ধারণা, সংগঠন ও জীবন-বিধি সংক্রান্ত পরিবর্তন তাহলে একজন উন্নয়ন ব্যবস্থাপকের কাজ কী? তার প্রাথমিক দায়িত্ব হচ্ছে অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি করে দেওয়া। এই পরিবেশই মানুষকে নিজেদের কাজের পরিকল্পনা গ্রহণ, বাস্তবায়ন, অবলোকন ও মূল্যায়নে উৎসাহিত করবে।
আমরা বিশ্বাস করি, মূল্যবোধের অংশিদারত্ব উন্নয়ন ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কতকগুলো মূল্যবোধের সৃষ্টি এবং পরিচর্যার জন্য একটি অবিরাম পদ্ধতির প্রয়োজন। একটি গুরুত্বপূর্ণ মূল্যবোধকে একজন ব্যবস্থাপক তার কর্মী এবং জনগণের মাঝে সঞ্চারিত করে দিতে পারেন। প্রতিটি মানুষের মধ্যে এই সৃজনধর্মিতা ক্রিয়াশীল। তিনি যে সমাজে বাস করেন আপন মর্যাদা অনুযায়ী তিনি সে সমাজে এই মূল্যবোধ চারিয়ে দেওয়ার ক্ষমতা রাখেন।

একজন উন্নয়ন ব্যবস্থাপক তার মাঠ কর্মসূচি থেকে অনবরত শিক্ষা গ্রহণ করতে পারেন। তিনি ওই কর্মসূচির অগ্রগতি, ব্যর্থতা, সামর্থ্য এবং দুর্বলতা, জনগোষ্ঠীর ওপর কর্মসূচির প্রভাব অনুধাবন করতে পারেন। তিনি জনগোষ্ঠীর বিবর্তিত চাহিদা অনুযায়ী তার কর্মীদের যোগ্য করে তৈরি করতে পারেন। এক্ষেত্রে তাকে সামাজিক চলিষ্ণুতার বিষয়টি অনুধাবন করতে হয়। কাজের পরিমণ্ডল এবং অপরিহার্যতা বৃদ্ধির স্বার্থের প্রয়োজনে লক্ষ্য পরিবর্তনে তাকে প্রস্তুত থাকতে হয়।

সম্মানিত সুধীবৃন্দ, আমি সবিনয়ে উল্লেখ করতে চাই উন্নয়ন ব্যবস্থাপনা মিশনারীদের কার্যক্রম কিংবা কোনো সৌখিন কর্মকাণ্ড নয়। এটি একটি পেশা। এর জন্য প্রয়োজন বিশেষ দক্ষতা, সামর্থ্য এবং মূল্যবোধ। আমরা আশা করি এই কেন্দ্র পেশাগত ক্ষেত্রে উন্নয়ন ব্যবস্থাপনার দিগন্তকে যথার্থভাবে প্রসারিত করবে এবং সময়ের সাথে সাথে এই অঞ্চলের একটি অনুপম কেন্দ্র হিসেবে অগ্রণী ভূমিকা রাখবে।

আমি প্রথমে ধন্যবাদ জানাতে চাই আমাদের প্রধান অতিথি জনাব এম. সাইফুর রহমানকে, যিনি এই কেন্দ্রের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের জন্যে আজ এখানে উপস্থিত হয়েছেন। মন্ত্রী মহোদয়, আমরা আপনার কাছে সত্যি কৃতজ্ঞ।

আমরা আরও ধন্যবাদ জানাই আমাদের বিশেষ অতিথি ধর্ম প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক আবদুল মান্নানকে। ধন্যবাদ জানাই বরেণ্য অতিথি যুক্তরাজ্যের হাই কমিশনার জনাব কলিন ইমরে, সুইডেনের রাষ্ট্রদূত জনাব ওলফ সিডারব্লাড, নেদারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত জনাব এইচ. গ্যাজেনটানকে। তাঁদের উপস্থিতি এই অনুষ্ঠানকে সমৃদ্ধ করেছে। আমি এই সুযোগে ধন্যবাদ জানাতে চাই বৃটিশ ওডিএ, নোভিব, নেদারল্যাণ্ড সরকার, সুইডেনের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, কানাডার আন্তর্জাতিক উন্নয়ন এজেন্সি, নোরাড, ডানিডা, জার্মানের ইজেডসই, কানাডার আগাখান ফাউণ্ডেশন এবং ফোর্ড ফাউণ্ডেশনকে। এরা সকলে ব্র্যাকের পল্লী উন্নয়ন কর্মসূচির অর্থদাতা– এই প্রশিক্ষণকেন্দ্র যার একটি অন্যতম অংশ। এদের ফলপ্রসূ সমর্থন ও সহায়তা ব্র্যাককে দারিদ্র্য  দূরীকরণ ও গ্রামীণ বাংলাদেশের উন্নয়নে ক্রিয়াশীল করে রেখেছে।

এ বছর ব্র্যাক তার বিংশতিতম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করছে। এই অনুষ্ঠান সেই উদযাপনের একটি অপূর্ব সুযোগ এনে দিয়েছে। সুধীবৃন্দ, এই সুন্দর সকালে অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ ও সান্নিধ্য দানের জন্য আপনাদের সবাইকে ধন্যবাদ জানাই।

ধন্যবাদ আপনাদের সবাইকে।

স্যার ফজলে হাসান আবেদ
তারিখ : ৮/৫/১৯৯২
রাজেন্দ্রপুর

"President Vartan Gregorian, Mr. Elie Wiesel, Mr. Morley Safer, Mr. Alan Shawn Feinstein, Mr. Robert Kate. Awardees, Ladies and Gentlemen.

I feel extremely delighted to be present here this evening. It is with great pleasure we accept the Alan Shawn Feinstein World Hunger Award. On behalf of BRAC and with whom we work, I express our deepest gratitude to the board of fellows of the Brown Corporation for this award. This recognition will be a source of inspiration for us to carry forward the unfinished task.

I come from that part of the world where hunger is chronic, poverty is pervasive, illiteracy is widespread and disease and deaths are rampant. Where deprivation is a rule rather than an exception. Bangladesh is one of the least developed countries of the world. With a size of Nicaragua or the state of Wisconsin, Bangladesh has a population of 110 million. No other country is so densely populated. The people are poor. Sixty per cent of the families have no land. Twenty per cent do not have even a homestead. With a per capita income of 160 dollars, eighty percent of the people live under the poverty line and sixty per cent are malnourished. Natural disasters are a common phenomenon, and you hear more about us when we face a new calamity. The health situation is staggering. Infant mortality is 120/1000 which is ten times higher than you have here. Fifty per cent of the children are born underweight. Maternal mortality is 300 times higher than that in Norway. Only 15 percent of the females and 25 percent of the males are able to read or write. These are stark statistics. The twenty-first century is only 10 years away and it is a shame for all of us that such a situation is still being allowed to continue. But this can no longer be tolerated!

Ladies and Gentlemen,
Let us, for a moment look back at history.

The Society we live in today has passed through several dark periods which have tainted our civilization. Mankind has been subject to many social ills and prejudices, cruelties and curses, inhibiting norms and values which were acceptable to the society at a certain point of time but discarded later on. Great leaders and millions of brave people tenaciously fought against the wrongs to establish a just and egalitarian society. Let me cite a few instances - Slavery is universally regarded now as a curse but was quite an acceptable norm until the beginning of the 19th century. You made it a part of history through the Act of Emancipation in 1833. The Quakers had their great contribution in this. Same is the fate of colonialism. With anti-colonial movements in the former colonies under the leadership of personalities like Mahatma Gandhi, it became hated and obsolete by the middle of this century. Your brave freedom-loving ancestors also played a pioneering role in this field. In the some way, racism and apartheid although not vanished yet, but is no longer accepted and will hopefully soon disappear. We recollect with gratitude the sacrifice made by millions including Martin Luther King in making it happen. But, ladies and gentlemen, what about hunger, disease or illiteracy which still cripple our society and have fettered millions of our people? It is a shame for all of us. It is a curse for mankind and for our civilization. We cannot allow it to continue unchallenged. The time has come, ladies and gentlemen, to declare poverty and illiteracy as unacceptable to us as slavery, colonialism and racism are. We must rise to human values and to our wisdom and conscience. Modern science and technology has unearthed vast knowledge and scope which can enrich the life of every human being in this planet. We must act now so that all the peoples of this world equally enjoy the fruits of science and civilization, and do not languish in disease, darkness and penury...And we in BRAC are working towards that end – for social and economic emancipation of our people, particularly the poor and the neglected section of the community.

BRAC was born in 1972 in response to a humanitarian need. Soon we learnt that the rural poor with whom we worked needed much more than just relief. They needed education, preventive and curative health care, conscientisation with credit. We are organising the landless and the other disadvantaged sections of the community such as women into cooperative groups through functional education and providing them with skills and easy credit. In this way we have already organised nearly half a million men and women into cooperatives , and have provided $15 million in easy collateral-free credit. Such inputs have given them social dignity and new avenues for income and employment. We have started to scale up and by the turn of the century, a fifth of Bangladesh’s villages will have this programme.

In our country, 70 to 80 percent of the children drop out from schools before any meaningful learning. To attract these children and also those who never enroll themselves, we have organised a non-formal primary education for the children of the poorest people. Encouraged by its spectacular success, we have opened 3,500 schools to provide primary education, particularly to girls.

Since diarrhea is a major cause of mortality and morbidity in our society, we have sent our health workers to teach mothers a simple home-ready oral rehydration therapy using salt, sugar and water – to all of the 13 million households in Bangladesh.

But these are not enough. We have a long way to go, ladies and gentlemen. We are in the last decade of this century but poverty, ignorance and disease still go unabated. They are still the rule and not the exception in our part of the world. We must turn it around so that they become exceptions, not rules. And in this task we need your help, support and sympathy. There is a need, I am sure you will agree, for building public opinion in the rich industrialised countries to make that happen.

Let me again thank Brown University for honouring us by conferring on BRAC this year’s Alan Shawn Feinstein World Hunger Award. We are most grateful.

Thank you.  "

- Sir Fazle Hasan Abed

BRAC has mobilised its team on the ground to support families affected by a devastating fire in Rohingya camps in Ukhiya of Cox’s Bazar, Bangladesh.  

The devastating fire that broke out in Rohingya camps of Kutulpalong Balukhali area on Monday afternoon displaced several thousand families who are squatting in the nearby open areas. Government response services, including fire services, rescue and response teams, and volunteers rushed to the spot immediately. Aid and development agencies joined the response efforts by the Refugee Relief and Repatriation Commissioner (RRRC) office and the work is still ongoing.

According to United Nations High Commissioner for Refugees (UNHCR), the incident site sheltered over 126,381 people before the fire incident and almost all of them are currently squatting in open areas.

The Deputy Commissioner of Cox’s Bazar and Upazila Nirbahi Officer of Ukhiya immediately visited the affected areas and requested BRAC to provide emergency basic support including to urgently ensure medical support with nurses, provide tarpaulin for temporary shelter and ensure female health and hygiene, and security services.

BRAC, in a prompt move, mobilised emergency medical team to provide basic first aid support to the affected people at the safe shelters.

BRAC Primary Healthcare Centres in camps 8E and 13 are fully operational and a medical team of 10-12 members are providing primary health support from the Balukhali Kashemia High School. A total of 233 injured people have already been provided with primary and emergency medical facilities.

BRAC has distributed 11,900 fortified biscuit packets (595 KG) and 8,000 liter of water bottles among the affected families taking shelter in the Balukhali Kashemia High School field. A total of 819 packets of cooked food were supplied to 556 people as lunch and dinners. BRAC provided 5500 jerry cans to OXFAM to ensure immediate water supply among the affected people and another 800 cans have been stockpiled for distribution.

So far, 977 pieces of tarpaulin have been distributed as emergency shelter support and another 1000 pieces have been kept aside.

Sajedul Hasan, Director of Humanitarian Programme at BRAC said, “It is a terrible disaster. We expect that coordinated interventions by the government, BRAC and other non-government organisations will bring normalcy into the lives of affected Rohingya families in the earliest possible time. BRAC already distributed food and drinkable water to the affected families. Healthcare facilities for the injured people are ongoing. Several initiatives have also been taken to ensure protection of women and children.”

The Gender Based Violence (GBV) team opened four SSWGs (Sub Sector Working Group) as an emergency shelter for women and girls in camps 8E, 8W, 5, and 6. Some families have already taken shelter there. There is a stockpile of 1,000 emergency dignity kits as emergency support for women and girls.

The Child Protection team has mobilised volunteers in the field to identify and support separated children and adolescents. By now identified missing children have already been fed with energy biscuits and taken them to safe shelters. Some centre managers are still near Balukhali to provide support to missing children and adolescents. High energy biscuits are being distributed to these missing children.

BRAC thanks local government authorities, partners and frontline responders who are working together to respond to the crisis and ensure safety for all.

 

বাংলাদেশের উন্নয়ন এবং সমৃদ্ধির ক্ষেত্রে অভিবাসন খাতটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জাতিসংঘের  সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী ২৭২ মিলিয়ন মানুষ (বিশ্ব জনসংখ্যার ৩.৫%) কাজের জন্য বা  অন্য কোনো প্রয়োজনে নিজ দেশে বাস না করে অন্য দেশে বাস করছেন এবং উভয় দেশেরই আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছেন।

কোভিড ১৯ মহামারীর কারণে বিশ্বব্যাপী প্রবাসী আয় নিম্নমুখী হলেও বাংলাদেশি প্রবাসীরা এই মহামারীর মধ্যেই রেমিট্যান্স পাঠানোর ক্ষেত্রে গড়েছে নতুন রেকর্ড। ২০১৯ সালে যেখানে দেশে মোট প্রবাসী আয় এসেছিল ১ লাখ ৫৫ হাজার ৫৫৩ কোটি টাকা সেখানে ২০২০ সালে এসেছে ১ লাখ ৮৪ হাজার ৩৫৫ কোটি টাকা (তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ব্যাংক)।

বাংলাদেশকে আর্থিকভাবে সমৃদ্ধ করতে প্রবাসী আয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করলেও প্রয়োজনীয় তথ্যের অভাবে অভিবাসন প্রত্যাশীরা প্রায়শই প্রতারণার সম্মুখীন হচ্ছেন। বিশ্বের সর্ববৃহৎ বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা হিসেবে ব্র্যাক বাংলাদেশের অভিবাসনপ্রবণ জেলাগুলোতে নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিত, মানবপাচার প্রতিরোধ ও সচেতনতা সৃষ্টি এবং বিদেশফেরত অভিবাসীদের পুনরেকত্রীকরণের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। প্রতিবছর প্রবাস থেকে অনেক মানুষ দেশে ফেরত আসে। কিন্তু তাদের পুনরেকত্রীকরণের বিষয়টি একেবারে উপেক্ষিত থেকে যায়। বিষয়টির গুরুত্ব বিবেচনা কওে ব্র্যাক ড্যানিশ দূতাবাসের সহায়তায় ‘সোশিও-ইকোনোমিক রিইন্টিগ্রেশন অব রিটার্নি মাইগ্রেন্ট ওয়ার্কার্স অব বাংলাদেশ’ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে। যে প্রকল্পের অধীনে বিদেশফেরত অভিবাসীদের বিভিন্নভাবে সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে।

দেশের উন্নতি ও সমৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা অভিবাসী কর্মী ও তাদের পরিবারের অধিকার রক্ষায় গণমাধ্যমের ভূমিকা অনস্বীকার্য। অভিবাসনবিষয়ক সাংবাদিকতাকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দিতে ব্র্যাক ২০১৫ সাল থেকে ‘ব্র্যাক মাইগ্রেশন মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড’ প্রবর্তন করে। এরই ধারাবাহিকতায় অভিবাসন বিষয়ক সাংবাদিকতাকে অনুপ্রাণিত করতে ষষ্ঠবারের মতো ‘ব্র্যাক মাইগ্রেশন মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড’ প্রদান করা হবে।

যেসব বিভাগে/ক্যাটাগরিতে ‘৬ষ্ঠ ব্র্যাক মাইগ্রেশন মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড’ প্রদান করা হবে
(ক)    সংবাদপত্র (জাতীয়): অভিবাসন বিষয়ে দেশে ও বিদেশে যে কোনো জাতীয়  সংবাদপত্রে প্রকাশিত প্রতিবেদন।
(খ)    সংবাদপত্র (আঞ্চলিক): অভিবাসন বিষয়ে বাংলাদেশের যে কোনো আঞ্চলিক সংবাদপত্রে প্রকাশিত প্রতিবেদন।
(গ)    অনলাইন: অভিবাসন বিষয়ে দেশে ও বিদেশে যে কোনো অনলাইন পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদন।
(ঘ)    টেলিভিশন সংবাদ: অভিবাসন বিষয়ে দেশে ও বিদেশে যে কোনো টেলিভিশনে সম্প্রচারিত অনুসন্ধানী প্রতিবেদন।
(ঙ)    টেলিভিশন অনুষ্ঠান: অভিবাসন বিষয়ে দেশে ও বিদেশে যে কোনো টেলিভিশনে সম্প্রচারিত অনুসন্ধানমূলক অনুষ্ঠান।
(চ)    রেডিও: অভিবাসন বিষয়ে দেশে ও বিদেশে যে কোনো রেডিওতে সম্প্রচারিত অনুষ্ঠান/প্রতিবেদন।
(ছ)    আলোকচিত্র: অভিবাসন বিষয়ে দেশে ও বিদেশে যেকোনো গণমাধ্যমে প্রকাশিত আলোকচিত্র।
(জ)    সোশ্যাল মিডিয়া: নিরাপদ অভিবাসন প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখা মানসম্মত ফেসবুক পেজ/ব্যক্তিগত আইডি/ব্লগ বা ইউটিউব চ্যানেল।    
(ঝ)    সংবাদমাধ্যম প্রতিষ্ঠান: অভিবাসন বিষয়ে  ভূমিকা রাখা প্রিন্ট/অনলাইন/টেলিভিশন।

প্রতিবেদন/অনুষ্ঠান/আলোকচিত্র/ সোশ্যাল মিডিয়া কনটেন্টসমূহ প্রকাশ বা প্রচারের সময়সীমা
দেশে অথবা প্রবাসে অবস্থানরত যেকোনো বাংলাদেশি সাংবাদিক ও গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব আবেদন করতে পারবেন। এছাড়া সোশ্যাল মিডিয়া ক্যাটাগরিতে যেকোনো বাংলাদেশি ব্যক্তি আবেদন করতে পারবেন। অভিবাসনবিষয়ক প্রতিবেদন/ অনুষ্ঠান/আলোকচিত্র/ ব্লগ/সোশ্যাল মিডিয়া কনটেন্টসমুহ অবশ্যই ১ জানুয়ারি ২০২০  থেকে ৩১ ডিসেম্বর ২০২০ এর মধ্যে প্রকাশিত/প্রচারিত হতে হবে।


প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নিয়ম
সিরিজ রিপোর্ট ছাড়া কোনো প্রতিযোগী একই ক্যাটাগরিতে একের অধিক প্রতিবেদন জমা দিতে পারবেন না। তবে সিরিজ রিপোর্ট হলে পর্ব সংখ্যা এবং প্রকাশিত/প্রচারিত হওয়ার তারিখ উল্লেখপূর্বক সিরিজের সবগুলো প্রতিবেদন জমা দেওয়া যাবে।


যোগ্যতা ও সতর্কতা
মিডিয়া অ্যাওয়ার্ডের জন্য জমা দেওয়া প্রতিবেদন/অনুষ্ঠান/আলোকচিত্রসমূহের স্বত্বাধিকার নিশ্চিত করতে হবে। সংবাদপত্রে প্রকাশিত প্রতিবেদন/আলোকচিত্রসমূহের অনলাইন লিংক এবং টেলিভিশনে প্রচারিত প্রতিবেদন/অনুষ্ঠানের ইউটিউব লিংক (যদি থাকে) প্রতিবেদনের সঙ্গে জমা দিতে হবে। যদি অনলাইন লিংক বা ইউটিউব লিংক না থাকে সেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যমের সম্পাদক/বার্তা সম্পাদক কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে (১ জানুয়ারি ২০২০ থেকে ৩১ ডিসেম্বর, ২০২০) সংবাদ/অনুষ্ঠানটি প্রচারিত হয়েছে মর্মে (প্রকাশ/প্রচারের তারিখ উল্লেখসহ) সত্যায়নপত্র সংযুক্ত করতে হবে। সোশ্যাল মিডিয়ার ক্ষেত্রেও কন্টেন্টগুলো উল্লেখিত সময়ের মধ্যে প্রকাশিত/প্রচারিত হতে হবে। অসম্পূর্ণ/ভুল তথ্যসংবলিত আবেদন বাতিল বলে গণ্য হবে।


আবেদন করার শর্ত
১.    অভিবাসন খাত, অভিবাসী ও শরণার্থী কিংবা তাদের পরিবারের অধিকার রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে এমন প্রতিবেদন/অনুষ্ঠান/সোশ্যাল মিডিয়া কনটেন্ট (প্রকাশিত বা সম্প্রচারিত) হতে হবে।
২.    সংবাদ প্রতিবেদন বা অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রে দেশে বা প্রবাসে অবস্থানরত শুধু বাংলাদেশি সাংবাদিকরাই এই অ্যাওয়ার্ডের জন্য আবেদন করতে পারবেন।
৩.    সোশ্যাল মিডিয়া কন্টেন্টের ক্ষেত্রে যেকোনো বাংলাদেশী ব্যক্তি আবেদন করতে পারবেন।
৪.    আবেদনকারীকে অবশ্যই তাঁর জীবনবৃত্তান্ত যথাযথ ফরমেটের মাধ্যমে (ফরমেটগুলো সর্বশেষ পাতায় সংযুক্ত) পাঠাতে হবে। প্রয়োজনীয় নথি হিসেবে প্রতিবেদন, আলোকচিত্র যে মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে তার বিবরণ জমা দিতে হবে।
৫.    আবেদনকারী তাঁর কর্মজীবন সম্পর্কে অর্ধেক পাতার মধ্যে সংক্ষিপ্ত বিবরণ (বাংলা ও ইংরেজি ভাষায়) সংযুক্ত করে পাঠাবেন। সংযুক্ত ফরমেটটি পূরণ করে আবেদনপত্রের সঙ্গে পাঠাতে হবে।
৬.    প্রিন্ট মিডিয়ার প্রতিবেদনের ক্ষেত্রে (জাতীয় ও স্থানীয় উভয় ক্ষেত্রে) সংবাদপত্রে প্রকাশিত মূল কপিটি প্রেরণ করতে হবে। সংবাদপত্রের এবং প্রতিবেদকের নাম ও তারিখ অবশ্যই দৃশ্যমান হতে হবে। সংযুক্তি হিসেবে প্রকাশিত কপি  ছাড়াও সিডির মাধ্যমে সংবাদটির ওয়েব লিংক এবং সফটকপি জমা দিতে হবে।
৭.    বেতারের ক্ষেত্রে এএম এবং এফএম বেতারতরঙ্গে সম্প্রচারিত অনুষ্ঠান অথবা প্রতিবেদন হতে হবে। এর সঙ্গে সংক্ষিপ্ত/সম্পূর্ণ স্ক্রিপ্ট যদি বর্তমান থাকে তবে জমা দিতে হবে। নিয়মিত বেতারে সম্প্রচারিত অনুষ্ঠানের অন্তত পরপর তিনটি অনুষ্ঠানের কপি জমা দিতে হবে।
৮.    টেলিভিশনের ক্ষেত্রে অবশ্যই সম্পূর্ণ স্ক্রিপ্ট সহকারে প্রতিবেদনটি সিডি/ডিভিডির মাধ্যমে জমা দিতে হবে।
৯.    অনলাইন মিডিয়ার ক্ষেত্রে প্রতিবেদনটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হতে হবে এবং অনলাইনে যেভাবে প্রচারিত হয়েছে সেভাবে সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদনটি স্ক্রিনশটসহ জমা দিতে হবে। এছাড়াও ইউআরএলসহ সফটকপি সিডিতে জমা দিতে হবে।
১০.    আলোকচিত্রের ক্ষেত্রে আলোকচিত্রটি যেকোন মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে তার কপি ও লিংক সংযুক্ত করতে হবে। গণমাধ্যমে যেভাবে প্রকাশিত হয়েছে ঠিক সেভাবেই সংশ্লিষ্ট আলোকচিত্রসহ প্রকাশিত প্রতিবেদনটি জমা দিতে হবে। হার্ডকপি ছাড়াও সফট কপি সংযুক্তি হিসেবে সিডি-র মাধ্যমে জমা দিতে হবে।
১১.    সোশ্যাল মিডিয়ার ক্ষেত্রে ফেসবুক পেজ/ ব্যক্তিগত আইডি অথবা ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশিত অভিবাসন বিষয়ক অন্তত দশটি কন্টেন্টের লিংক এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় যেভাবে প্রকাশিত হয়েছে সেভাবে স্ক্রিনশট দিয়ে পাঠাতে হবে। (২০২০ সালের ৩১ ডিসেম্বরের পর কন্টেন্টের কোন ধরনের সম্পাদনা গ্রহনযোগ্য হবে না)।
১২.    সংবাদমাধ্যম প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে ২০২০ সালে অভিবাসন বিষয়ে তাদের যতগুলো গুরুত্বপূর্ন সংবাদ/মতামত/অনুষ্ঠান/টকশো প্রচারিত প্রকাশিত হয়েছে প্রতিটি অনুষ্ঠানের ওয়েব লিংক সংযুক্ত করে পাঠাতে হবে। ওয়েব লিংক না থাকলে সিডি আকারেও পাঠানো যাবে।


বিচারকমণ্ডলী
 যেসব প্রতিষ্ঠান বা সংস্থার সম্মানিত বিচারকমন্ডলীর দ্বারা আবেদনকৃত প্রবন্ধ/অনুসন্ধানী প্রতিবেদন মূল্যায়ন করা হবে:
১.    প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের একজন প্রতিনিধি।
২.    গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের একজন শিক্ষক।
৩.    আন্তর্জাতিক সংস্থার একজন প্রতিনিধি।
৪.    একজন সিনিয়র সাংবাদিক/গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব।

আবেদনের শেষ তারিখ
২০২১ সালের ২৮শে ফেব্রুয়ারি বিকেল ৫টার মধ্যে আবেদনটি ‘৬ষ্ঠ ব্র্যাক মাইগ্রেশন মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড’ আয়োজক কমিটি ঠিকানায় পৌঁছাতে হবে। নির্ধারিত সময়সীমার পরে কোনো আবেদন গ্রহণযোগ্য হবে না। আবেদন সরাসরি বা ডাকযোগে জমা দিতে হবে। তবে প্রবাসে অবস্থানকারী সাংবাদিকেরা ইমেলেইলের মাধ্যমেও প্রতিবেদন জমা দিতে পারবেন।


আবেদন জমাদানের ঠিকানা
‘৬ষ্ঠ ব্র্যাক মাইগ্রেশন মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড’
মাইগ্রেশন প্রোগ্রাম, ব্র্যাক
ব্র্যাক সেন্টার, ৭৫ মহাখালী (১২ তলা)
ঢাকা-১২১২
বাংলাদেশ

ইমেইল: This email address is being protected from spambots. You need JavaScript enabled to view it.

 প্রয়োজনে যোগাযোগ: ফোন: ৮৮০২ ২২২২৮১২৬৫ এক্সটেনশন: ৩৯১২

 

 

ফরম ডাউনলোড করুন 

 

Monday, 30 November 2020 00:00

VAWC toolkit (Bangla)

Monday, 30 November 2020 00:00

VAWC toolkit (English)

The World Bank and BRAC today signed a Memorandum of Understanding  at an online event to collaborate to improve road safety in Bangladesh.  

The event titled ‘Road Safety Collaboration: Reducing Road Fatalities 50% by 2030’ also launched a Road Safety Awareness Campaign along the 48KM Jashore-Jhenaidah corridor as part of the partnership. The campaign will complement the World Bank-supported WeCARE project, which was approved in June 2020 and aims to upgrade the existing two-lane highway, Bhomra-Satkhira-Navaron and Jashore-Jhenaidah, to a safer four-lane highway.

BRAC and the World Bank will partner together to promote safety for women in public transport systems and conduct training and skills building for men and women drivers. BRAC’s driving school’s initiative ‘Women behind the Wheels’ has so far trained approximately 214 women as professional drivers.

Globally, about 1.35 million people die every year in road accidents. In Bangladesh, road crashes are the fourth leading cause of death of children aged between 5 and 14, and 67 per cent of the victims are within the age group of 15-49 years.

"Under the leadership of Honorable Prime Minister H. E. Sheikh Hasina, Bangladesh has taken actions to achieve the Sustainable Development Goal of cutting the number of road traffic fatalities by half within the next decade,” said Honorable Minister of Road Transport and Bridges, Mr. Obaidul Quader, who joined the virtual event as Chief Guest.

“With more awareness and safer behaviors by road users, training of drivers, and better roads, Bangladesh is taking a comprehensive approach for ensuring road safety.”
“Road safety has become an economic and development priority for any country,” said Dandan Chen, Acting Country Director for Bangladesh and Bhutan.

“We are proud to be part of the government’s commitment to better road safety through a National Road Safety Program. Our partnership with BRAC will reinforce the support to the program   for improving road safety in both rural and urban areas in Bangladesh.”

The collaboration will support exchange of knowledge and raise awareness among stakeholders to reduce fatalities and injuries from road accidents. This will help the country adopt interventions based on the Safe-System Approach, including safe roads and  safe behaviors, as recommended globally.

Since 2011, under BRAC’s community road safety awareness program, over 1.2 million people have received training on the safe use of roads. In addition, 5,451 schoolteachers and 498,000 school children have received special awareness training on road safety.

Asif Saleh, Executive Director of BRAC,  said, “I believe this joint initiative between BRAC and the World Bank will be a big step forward to take the road safety system in the project area to a new level. With the support of the government of Bangladesh and the World Bank, we aspire to take BRAC's community led road safety model across Bangladesh.”

“The government, development partners, non-government organizations and most importantly the citizens need to work together like this in finding more comprehensive long term systemic solutions  to achieve the Sustainable Development Goal of reducing traffic fatalities by 50 per cent,” he added.

Ahmed Najmul Hussain, director, BRAC Road Safety Programme, said, "I believe that undertaking more such community-driven awareness initiatives for the other highways of the country such as the one to be implemented under this MoU along the Jashore-Jhenaidah highway will substantially help reduce the number of road crashes."





Response and recovery efforts supported by $300,000 grant from the Bill & Melinda Gates Foundation

In the aftermath of Cyclone Amphan, the super cyclonic storm that devastated coastal communities in Bangladesh in late May, BRAC has been carrying out response and recovery efforts, made more complex by the COVID-19 pandemic. With more than 200,000 homes reportedly destroyed or damaged, families sought refuge in neighboring homes and shelters, increasing the chance of contracting COVID-19 in the absence of social distancing.

BRAC has quickly started to provide multi-purpose conditional (repairing of houses and latrines, and installation of tippy taps) cash support to 4,600 cyclone-affected households to enable families to return to their own homes in 10 sub-districts in the districts of Satkhira, Khulna and Bagerhat. The cash assistance of BDT 5,000 (USD ~$60) per household is being provided by mobile money transfers in two installments. Training is also being provided to residents to install hand washing stations through demonstration efforts, maintaining social distance, so they can wash their hands safely and reduce the risk of COVID-19 spread.

Without access to clean water, it is difficult to maintain basic hygiene practices to prevent contraction of COVID-19 and diarrhoea. Awareness messages on basic hygiene practices and COVID-19 infection prevention and control are being disseminated by BRAC staff, who are trained on COVID-19 prevention practices.

BRAC’s emergency response is supported by a $300,000 grant from the Bill & Melinda Gates Foundation. The grant funded relief and recovery efforts to people suffering the impact of Amphan in Bangladesh.
 
BRAC’s disaster response efforts in Bangladesh have benefited from funding by the Bill & Melinda Gates Foundation several times in the last 13 years, starting with Cyclone Sidr in 2007. Most recently, the foundation provided a grant of $300,000 last year for flood relief.

“BRAC has always looked to the Bill & Melinda Gates Foundation as a key partner in our effort to provide life-saving services to the most vulnerable people, especially during humanitarian crises,” said Asif Saleh, Executive Director of BRAC. “This support was no exception. It allowed us to mobilise resources quickly, during the COVID-19 pandemic, to provide much-needed cash support to the families most affected by Cyclone Amphan so they can get back on their feet.”

 

Mr Md Zahid Ahsan Russel, minister of state for youth and sports of Bangladesh, said Prime Minister Sheikh Hasina has allocated land near the National Parliament House in the capital to build an international standard complex for adaptive sports. "Athletes with disabilities will be provided with all kinds of facilities in this complex," he said in his speech at an event today on Thursday (5 March) at the BRAC Centre at Mohakhali in Dhaka city.

The event, a special lecture followed by a press briefing, was organised on the occasion of Dhaka visit by Ms Aki Taguchi, former celebrated athlete of Paralympic and currently vice president of Paralympians Association of Japan. The visit is part of a campaign to raise public awareness about the Paralympic Games and the importance of establishing an inclusive society for the greater wellbeing of everyone, particularly the persons with disabilities.
The Embassy of Japan, in cooperation with BRAC, arranged the programme with state minister Mr Md Zahid Ahsan Russel being present as the guest of honour. Mr Ito Naoki, Japanese ambassador in Bangladesh, also addressed the audience at the event.

Ms Aki Taguchi, said, "Persons with disabilities have a lot to contribute to the wellbeing of the society. Twenty-five years ago, I received severe injury in my spinal cord in an accident. I could not stand on my feet. Later on, I took up beam rifle. At one point, I represented my country in the Paralympic Games and made history as I had passed into the final round."

Calling on the persons with disabilities in Bangladesh to engage in sports, she further said, "I want persons with disabilities to come forward to take up sports and bring honour for Bangladesh."

Ms Taguchi represented Japan in the shooting events for three years in a row at the Paralympic Games which are Athens 2004, Beijing 2008 and London 2012.

Beforehand in the morning, she visited the Neurodevelopmental disability centre (NDD) operated by BRAC Education Programme in Korail slums in the capital. Later she remarked, "During my visit to the BRAC School, I had caught sight of a school playground nearby. There I saw all other children were playing with the children with disabilities. It's a scene that you'll witness in a very few countries of the world. BRAC is doing commendable work. This is what the reality should be everywhere."

The organisation maintains its top ranking as it continues the legacy of late founder Sir Fazle Hasan Abed

BRAC has been ranked the world’s number one non-governmental organisation (NGO) of 2020 by NGO Advisor, an independent Geneva-based media organisation. BRAC, a leading development organisation based in Bangladesh, retained its top spot in part due to its robust leadership and governance structure and continued commitment to systemic change.

“We are deeply grateful and humbled to receive this accolade. 2020 will be the first year for BRAC family without our Founder, Sir Fazle Hasan Abed. We take this recognition as a reminder to be worthy of his legacy and continue the fight for a world free from all forms of exploitation and discriminaton,” said Ameerah Haq, Chair, BRAC Global Board.

After nearly five decades of experience in Bangladesh and beyond, BRAC recently announced a new 2030 strategy that prioritises scaling its global reach, targeting participants with multiple interventions, and developing collaboration and knowledge-sharing leadership across the development sector. In 2019, it formed a new Global Board to lead and implement this strategy.

“In the BRAC Global Strategy, Sir Fazle has set an audacious goal for us, empowering at least 250 million people to have control over their own livelihoods by 2030. We’ll keep striving every day to make his vision a reality,” Ms Haq added.

Jean-Christophe Nothias, Editor-in-Chief and CEO of NGO Advisor, cited BRAC’s renewed commitment to innovation and impact and its advanced preparations to transition leadership and governance responsibilities to the next generation of leaders as key factors that contributed to the number one ranking.

“This 2020 list is launched with excitement as the social profit sector keeps growing and transforming the world, but also with sadness as the founder of BRAC, Sir Fazle, passed away in 2019,” wrote Jean-Christophe. “He was a man of outstanding stature and humanity; he was at the forefront of systemic changes we are still aiming for. We have reason to believe that BRAC is on its way to pay a sustainable tribute to its founder by keeping its leading, driving role in the social profit sector.”

NGO Advisor publishes rankings for the top 500 global NGOs each year, drawing upon publicly-available data and focusing on impact, innovation, governance, and sustainability as key factors informing the rankings.

2020 marks BRAC’s fifth consecutive year in the number one spot. BRAC shares the top five with several high-impact peers, including Médecins Sans Frontières, Danish Refugee Council, Open Society Foundations, and Mercy Corps.

Join the world’s biggest family

sign-up

Subscribe

STAY INFORMED. Subscribe to our newsletter.

Top